Saturday, December 21, 2019

চুল পরা বন্ধ করার ঘরোয়া উপায়।

চুলের রোগ ও চুলের যত্ন

     চুলের রোগ বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। যেমন চুলের আগা ফেটে যেতে পারে, চুল উঠতে থাকে, চুলে জট পাকিয়ে যেতে পারে, চুলে উকুন হয়ে থাকে, অসময়ে চুল পেকে যেতে পারে ইত্যাদি। এগুলির পিছনে বিভিন্ন কারণ থাকে। যেমন দীর্ঘদিন ধরে কোন রোগে ভুগলে, চুলের অযত্ন, ভেজাল তেল বা শ্যাম্পুর ব্যবহারে, পেটের রোগে দীর্ঘদিন ভুগতে থাকলে। সর্বপরি প্রচণ্ড মানসিক টেনশন থেকেও চুলের রোগ হয়ে থাকে।

  1.     অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশুদ্ধ তেল, শ্যাম্পু ব্যবহার করা, চুলের আগা মাঝে মাঝে ছেটে নেওয়া, মাথায় হাল্কা ম্যাসাজ করা, ঠাণ্ডা জলে স্নান করা, স্নানের পর চুল ভাল করে মুছে শুকিয়ে নেওয়া চুলকে সজীব রাখে।
  2.     চুলের পুষ্টির জন্য কারিপাতা নারিকেল তেলে আধঘণ্টা ফুটিয়ে ঐ তেলটি মাথায় লাগাতে হবে।
  3.     পেয়ারার রস চুলে লাগালে চুলের পুষ্টি হয়।
  4.     যাদের চুল তৈলাক্ত তারা জলে কয়েকটা চা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। তারপর ওই জলে একটি গোটা লেবুর রস মেশান। জলটি ঠাণ্ডা হলে শ্যাম্পু করার পর এই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।
  5.     যাদের চুল পেকে যাচ্ছে তারা সিলারি পাতা এক মুঠো নিয়ে জলে ফুটিয়ে  ঠাণ্ডা করে তাতে একটি গোটা লেবুর রস দিয়ে সেই জলে মাথা ধুলে বিশেষ উপকার হবে।

Tuesday, December 17, 2019

বেগুনের উপকারিতা (সুস্থ থাকতে বেগুন)


  • কচি বেগুন পুড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে একটু গুড় মিশিয়ে খেলে ম্যালেরিয়ার দরুন লিভার বেড়ে যাওয়া কমে।                                                   
  • লিভারের দোষের জন্যে চেহারায় হলদেটে ভাব এলে তা ক্রমশ কমে যায়।  
  • যাঁদের ঘুম ভাল হয় না তাঁরা যদি একটু বেগুন পোড়ায় মধু মিশিয়ে সন্ধ্যেবেলা চেটে খান তাহলে তাঁদের রাত্তিরে ভাল ঘুম হবে।                           
  • বেগুনের তরকারি, বেগুন পোড়া, বেগুনের সুপে রোজ যদি একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে বায়ুর প্রকোপ তো কমেই যদি কারো পেটে বায়ু গোলকের সৃষ্টি হয়ে থাকে সেটাও কমে যায় বা সেরে যায়।           
  • মহিলাদের আনিয়মিত ঋতু না হলে বা কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা যদি শীতকালে নিয়ম করে বেগুনের তরকারি বজরার রুটি এবং গুড় খান তাহলে উপকার পাবেন। আবশ্য যাঁদের শরীরে গরমের ধাত বেশি তাঁদের পক্ষে এটা না খাওয়াই ভাল।                                                                                  
  • নিয়মিত বেগুন খেলে মূত্রকৃচ্ছ্রতা সারে।                                                            
  • প্রস্রাব পরিষ্কার হওয়ার প্ররম্ভিক অবস্থায় কিডনির ছোট পাথরও গলে গিয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।                                                                       
  • মুরগির ডিমের সাইজের ছোট গোল সাদা বেগুন অর্শের পক্ষে উপকারী।   
  • বেগুনের পুলটিস বাঁধলে ফোড়া তাড়াতাড়ি পেকে যায়।                                 
  • বেগুনের রস খেলে ধুতরার বিষ নেমে যায়।

Monday, December 16, 2019

সুস্থ থাকতে খাওয়া -দাওয়ায় শাক-সবজি

    তরকারির খোসা ছাড়ালে তরকারির খাদ্যগুন কমে যায়। খোসা ও খোসার নীচেই আছে শরীরের পক্ষে মূল্যবান ভিটামিন ও খনিজ যার পুষ্টিগুন ভেতরের শাঁসের চেয়ে কম নয়।

    তরকারির ভিটামিন নষ্ট না করবার কয়েকটি উপায় হল --
১) তরকারি কুটে নেওয়ার পরে না ধুয়ে তরকারি কোটবার আগেই জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন।
২) কুটে নেওয়ার পর তরকারি জলে ভিজিয়ে বেশিক্ষণ রাখবেন না।
৩) রান্না করবার খুব বেশিক্ষণ আগে তরকারি কুটবেন না।
৪) খুব পাতলা পাতলা করে টুকরো করবেন না বা কুরুনি দিয়ে কুড়বেন না। তরকারি কোটবার পর  যাতে বেশি রোদ-হাওয়ার সংস্পর্শে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৫) লেটুস পাতা জাতীয় একটি শাক ও দু-তিন রকম তরকারি মিশিয়ে নুন ছাড়া স্যালাড খান।
      পরিবেশনের ঠিক আগেই স্যালাড তৈরি করবেন।
      যারা সুপাচ্য সাদাসিদে খাবার অর্থাৎ ভাত, ডাল, দুধ, ফল, শাক সবজি খান, কোনো ওষুধপত্র খান না, ধূমপান বা মদ্যপান করেন না তাঁদের বাড়তি কোনো ভিটামিনের পিল বা বড়ি খাওয়ার প্রয়োজনই হয় না। ভিটামিন, খনিজ যা প্রকৃতি থেকে শাক-সবজি, ফল মূল ইত্যাদির মধ্যে পাওয়া যায় সেগুলো বেশি খেয়ে ফেললেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয় নেই।